যারা ব্যবসা, অফিস অথবা ব্যক্তিগত কাদের জন্য প্রিন্টার কিনতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আমাদের আজকের এই পোস্ট। আজকে মূলত আমরা ইপসন প্রিন্টারের সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য জানবো। এছাড়া Epson printer price in bangladesh সম্পর্কে ইতিমধ্যে আপনারাও উপরে বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। এখানে ইপসন কোম্পানির সব ধরনের প্রিন্টারের প্রাইস তুলে ধরা হয়েছে। আশা করছি বাজার দর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ওয়েবসাইটের প্রদর্শিত প্রডাক্টগুলোর দাম নিয়মিত আপডেট থাকবে।
কি দেখে প্রিন্টার কিনবেন? Epson printer price in bangladesh
একটা প্রিন্টার কেনার ক্ষেত্রে ডিসিশন নেওয়ার সময় সবার আগে ভাবতে হবে যে আসলে আপনি কোন কাজের জন্য প্রিন্টার কিনতে যাচ্ছেন। প্রিন্টার প্রিন্টিং এর ক্ষেত্রে কয়েক ক্যাটাগরির রয়েছে যেমন লেজার প্রিন্টার, Inktank প্রিন্টার ইত্যাদি । সাধারণত সাদাকালো প্রিন্ট করার জন্য লেজার প্রিন্টারে বেশি প্রচলন রয়েছে। কিন্তু রঙিন প্রিন্টিং করার ক্ষেত্রে Inktank প্রিন্টারের প্রচলন বেশি। কারণ প্রিন্টার কেনার ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম এটাতে প্রিন্ট করার খরচ মাথায় রাখতে হয়। খরচের পাশাপাশি প্রিন্টিং কোয়ালিটি ও ভালো হতে হবে। এগুলো বিবেচনা করলে কালার প্রিন্টিং এ জন্য কম খরচে Inktank প্রিন্টার সবচেয়ে ভালো। এছাড়া যদি আমরা কম খরচের মধ্যে সাদা-কালো প্রিন্ট করতে চাই সে ক্ষেত্রে লেজার প্রিন্টার ভালো। পাশাপাশি সাদা কালো প্রিন্টারের সাপ যেন স্থায়ী হয় সেজন্য ও লেদার প্রিন্টারের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ Inktank প্রিন্টারের কালি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই আপনি কি কাজের জন্য প্রিন্টার করতে কিনতে চাচ্ছেন সেটা আগে ডিসিশন নেন তারপরে সেই অনুপাতে একটি প্রিন্টার বাছাই করুন।
কাজের ধরন বেঁধে Epson printer price in bangladesh
কাদের ধরন বেদের প্রিন্টারের আরো কিছু ক্যাটাগরির রয়েছে। কারিগরি দিক থেকে বিভিন্ন কোম্পানি প্রিন্টার এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা রেখেছে। অফিস আদালতে অথবা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংক্রান্ত কাজে একটা প্রিন্টার দিয়ে প্রিন্টের পাশাপাশি স্ক্যানিং করার প্রয়োজন রয়েছে। তাছাড়া সাদা-কালো প্রিন্ট, রঙিন প্রিন্ট, ছবি প্রিন্ট বিভিন্ন কাজের প্রিন্টার ব্যবহার করা। বাজারে কিছু কিছু প্রিন্টার রয়েছে যেগুলো দিয়ে প্রিন্টিং সংক্রান্ত কাজে প্রায় সব করা যায় যেমন প্রিন্ট করা ক্যানিং করা, পাশাপাশি ছবি প্রিন্ট করা ইত্যাদি।
মাল্টি ফাংশনাল প্রিন্টারঃ মাল্টি ফাংশন প্রিন্টারে সাধারণ রঙিন প্রিন্ট, সাদা কালো প্রিন্ট পাশাপাশি ছবি প্রিন্ট করা যায় এছাড়া স্ক্যান করার কাজটিও এই প্রিন্টার দিয়েই সেরে নেওয়া যায়। যেহেতু মাল্টে ফাংশনাল প্রিন্টার দিয়ে একের মধ্যে সব কাজ করা যায় তাই এই প্রিন্টার গুলোর জনপ্রিয়তাও সবচেয়ে বেশি।
সিঙ্গেল ফাংশন প্রিন্টারঃ সিঙ্গেল ফাংশন প্রিন্টার বলতে বোঝায় যে প্রিন্টার গুলোতে শুধুমাত্র একটি কাজ করা যায়। হতে পারে সেটা শুধুমাত্র সাদাকালো প্রিন্ট করা, অথবা শুধুমাত্র রঙিন প্রিন্ট করা, কিংবা শুধুমাত্র ছবি প্রিন্ট করা। সিঙ্গেল ফাংশন প্রিন্টারগুলো যেহেতু একটি কাজের জন্য বানানো হয় তাই শুধুমাত্র সেই কাজের জন্য এই প্রিন্টার টি স্পেশাল ভাবে কাজ করে।
ফটো প্রিন্টারঃ ফটো প্রিন্টার এর কাজ হচ্ছে শুধুমাত্র ফটো প্রিন্ট করা বা ছবি প্রিন্ট করা। আর এই ফটো প্রিন্টার গুলোতে ছবি প্রিন্টিং কোয়ালিটি অন্যান্য সাধারণ প্রিন্টার গুলোর চেয়ে বেশি ভালো হয়। ফটো প্রিন্টার গুলোতে সাধারণত ছয়টি প্রাইমারি কালার ব্যবহার করা হয় যার ফলে অন্যান্য চার প্রাইমারি কালার সমৃদ্ধ প্রিন্টার তুলনায় এগুলোর কোয়ালিটি ভালো হয়।
কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে প্রিন্টারের দামে তারতম হয়ে থাকে। তাই যারা Epson printer price in bangladesh অনুসন্ধান করছেন আশা করছি উপরে প্রদর্শিত দামের তালিকা থেকে Epson printer price in bangladesh জানতে পেরেছেন।
কেন epson এর প্রিন্টার কিনবেন ? Epson printer price in bangladesh
এখন অনেকেই বলতে পারেন এপসনের প্রিন্টার হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার। এটা বললে আমার মনে হয় ধারণাটা ভুল হবে। তবে আমাদের বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিশেষ করে দোকানের কাজের ক্ষেত্রে এপসন এর প্রচলন বেশি লক্ষ্য করা যায়। তবে এটার পাশাপাশি ক্যানন, ব্রাদার এগুলো বেশ প্রচলিত। epson প্রিন্টার যেহেতু মোটামুটি ভাবে বেশ প্রচলিত আর সে কারণেই মূলত এরকম বাজারে বেশি পাওয়া যায়।